আমির খানের ভাগ্নেকে ভারত ছাড়ার নোটিশ

১৫ অক্টোবর ২০২৬ - ০৯:৩১ পূর্বাহ্ণ
 0
আমির খানের ভাগ্নেকে ভারত ছাড়ার নোটিশ

বিক্ষোভে অংশ নিয়ে বিপাকে আমির খানের ভাগ্নে, ভারত ছাড়ার নোটিশ
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভে অংশ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন বলিউড অভিনেতা ইমরান খান। আমির খানের ভাগ্নে এই অভিনেতাকে আগামী ২৮ অক্টোবরের মধ্যে ভারত ছাড়ার নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হয়েও ভারতের রাজনৈতিক ও সামাজিক বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
গত ১০ অক্টোবর মুম্বাইয়ে ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে একটি বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ভোটার তালিকা সংশোধন ও তথ্য কারচুপির অভিযোগ তুলে মহাত্মা গান্ধীর প্রপৌত্র তুষার গান্ধীর আহ্বানে আয়োজিত এ সমাবেশে অংশ নেন ইমরান খান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন অভিনেত্রী লেখা ওয়াশিংটন ও চাচাতো বোন জাইন মেরি খান। সমাবেশ চলাকালে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ইমরানসহ কয়েকজন আন্দোলনকারীকে আটক করে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদেশি নাগরিক হিসেবে ভারতের রাজনৈতিক বা সামাজিক বিক্ষোভে অংশ নিয়ে ইমিগ্রেশন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে ইমরানের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে মুম্বাই পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন বিজেপির সাবেক সংসদ সদস্য কিরিট সোমাইয়া। একই সঙ্গে অভিনেতাকে ভারত থেকে বহিষ্কারের দাবিও জানান তিনি।
ওই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস বা এফআরআরও এবং মুম্বাই পুলিশ ২৮ অক্টোবরের মধ্যে ভারত ছাড়ার নোটিশ দিয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
‘জানে তু... ইয়া জানে না’ সিনেমার মাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি পাওয়া ইমরান খান জন্মসূত্রে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। ২০১১ সালে এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, ভারতীয় পাসপোর্ট পাওয়ার চেষ্টা করছেন। তবে পরবর্তী সময়ে তিনি ভারতীয় নাগরিকত্ব পেয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত নয়। ওই সাক্ষাৎকারে নিজেকে ভারতের অংশ মনে করার কথা জানিয়ে সচেতনতা তৈরির কাজেও যুক্ত থাকার কথা বলেছিলেন এই অভিনেতা।
বিক্ষোভে আটক হওয়ার পর পুলিশ ভ্যান থেকে হাসিমুখে একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন ইমরান। ছবির সঙ্গে মজার ছলে লেখেন, ‘মনে হচ্ছে আমি একটু ঘুরে আসতে যাচ্ছি!’ এর আগে চলতি বছরের জুলাইয়ে ভারতের নিট পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ এবং আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি লাঠিচার্জের ঘটনায়ও সরব হয়েছিলেন তিনি।
এদিকে, ভারত ছাড়ার নোটিশের বিষয়ে ইমরান খান বা তার প্রতিনিধির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।