ক্রীড়াঙ্গনে নতুন ইতিহাস এবিজি স্পোর্টস সিটির চমক
ক্রীড়াঙ্গনের নতুন দিগন্ত, দেশের ইতিহাসে বড় জায়গা করে নিচ্ছে এবিজি স্পোর্টস সিটি
দেশের ক্রীড়াঙ্গনে দীর্ঘদিনের অন্যতম বড় সমস্যা প্রয়োজনীয় আধুনিক অবকাঠামোর অভাব। পুরোনো ও অপর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধার কারণে অনেক খেলায় আন্তর্জাতিক মানে এগিয়ে যাওয়ার পথ কঠিন হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বসুন্ধরা গ্রুপের উদ্যোগে গড়ে ওঠা এবিজি স্পোর্টস সিটি দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলেছে। ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় প্রায় ৩০০ বিঘা জমিতে গড়ে ওঠা এই ক্রীড়া কমপ্লেক্সে রয়েছে ফুটবল, ক্রিকেটসহ বিভিন্ন খেলার আধুনিক সুযোগ-সুবিধা। বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনা ইতোমধ্যে দেশি-বিদেশি ফুটবল ম্যাচ আয়োজনের মাধ্যমে পরিচিতি পেয়েছে। আন্তর্জাতিক মানের মাঠ, অনুশীলন সুবিধা, জিম ও খেলোয়াড়দের পুনর্বাসনব্যবস্থা ক্রীড়াবিদদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই অবকাঠামো শুধু খেলাধুলার পরিসর বাড়াচ্ছে না, তরুণদের ক্রীড়ামুখী করতেও ভূমিকা রাখছে। বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানের নেতৃত্বে শুরু হওয়া এ উদ্যোগের লক্ষ্য দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও পরিচিত করে তোলা। গ্রুপের কর্মকর্তারা মনে করেন, আধুনিক প্রশিক্ষণ ও নিয়মিত প্রতিযোগিতার সুযোগ পেলে বাংলাদেশ থেকে আরও প্রতিভাবান খেলোয়াড় উঠে আসবে। ফুটবলের পাশাপাশি ক্রিকেট, স্কোয়াশ, কমব্যাট স্পোর্টস ও প্যাডেল টেনিসের মতো খেলাতেও কার্যক্রম সম্প্রসারিত হচ্ছে। ক্রিকেট একাডেমি ও ফুটবল একাডেমির মাধ্যমে নতুন খেলোয়াড় তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে। পাশাপাশি হকির জন্য আন্তর্জাতিক মানের অ্যাস্ট্রোটার্ফ এবং সুইমিংপুল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে ফুটবল ও ক্রিকেট টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে। ক্রীড়া বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের বেসরকারি উদ্যোগ দেশের খেলাধুলায় বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান এবং তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ, প্রতিযোগিতা ও প্রতিভা বিকাশের সুযোগ নিশ্চিত করা গেলে এবিজি স্পোর্টস সিটি বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।