৩৭৫ সিসি পর্যন্ত বাইক আমদানির অনুমতি!

২৫ আগস্ট ২০২৬ - ১২:০৯ অপরাহ্ণ
 0
৩৭৫ সিসি পর্যন্ত বাইক আমদানির অনুমতি!

দেশে ৩৭৫ সিসি পর্যন্ত ইঞ্জিনক্ষমতার মোটরসাইকেল আমদানির সুযোগ দিয়েছে সরকার। নতুন আমদানিনীতি অনুযায়ী, সম্পূর্ণ তৈরি অবস্থায় বা সিবিইউ হিসেবে ৩৭৫ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল সরাসরি আমদানি করা যাবে।

সোমবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নতুন আমদানিনীতি আদেশ ২০২৬-২০২৯-এর গেজেট প্রকাশ করেছে।

এর আগে ২০২১-২০২৪ সালের আমদানিনীতি অনুযায়ী, সম্পূর্ণ তৈরি অবস্থায় ১৬৫ সিসির বেশি ক্ষমতার মোটরসাইকেল আমদানিতে বিধিনিষেধ ছিল। নতুন নীতিতে সেই সীমা বাড়িয়ে ৩৭৫ সিসি করা হয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্তের ফলে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মাঝারি ও উচ্চক্ষমতার মোটরসাইকেল সরাসরি বাংলাদেশে আনার সুযোগ বাড়বে। এতে দেশের বাজারে নতুন নতুন মডেল ও ব্র্যান্ডের উপস্থিতি বাড়তে পারে।

ফলে মোটরসাইকেলপ্রেমীদের জন্য আরও বেশি বিকল্প তৈরি হওয়ার পাশাপাশি উচ্চক্ষমতার বাইকের বাজারেও প্রতিযোগিতা বাড়তে পারে। তবে একই সঙ্গে স্থানীয় মোটরসাইকেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোও বাড়তি প্রতিযোগিতার মুখে পড়বে।

নতুন আমদানিনীতি শুধু মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রেই নয়, আমদানি প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও বিস্তৃত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন নীতির আওতায় ঋণপত্র বা এলসির পাশাপাশি মূল্যসীমা ছাড়াই ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে পণ্য আমদানির সুযোগ পাবেন শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের আমদানিকারকেরা।

এ ছাড়া ফ্রি ট্রেড জোন ও সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়্যারহাউস প্রতিষ্ঠার বিধান রাখা হয়েছে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের শিল্পে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আমদানি সুবিধা এবং রপ্তানিমুখী শিল্পের কাঁচামাল আমদানির সুযোগও বাড়ানো হয়েছে।

এর আগে এলসি ছাড়া ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে আমদানির সুযোগ থাকলেও বিভিন্ন পণ্য ও খাতের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সীমা ও শর্ত ছিল। নতুন আমদানিনীতি সেই সুযোগ আরও বিস্তৃত করেছে।

নতুন নীতি কার্যকর হওয়ায় বাংলাদেশের মোটরসাইকেল বাজারে বড় পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে ১৬৫ সিসির সীমাবদ্ধতা উঠে যাওয়ায় এখন ২০০, ২৫০, ৩০০ এমনকি ৩৭৫ সিসি পর্যন্ত বিভিন্ন মডেলের বাইক আমদানির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।