সংসদের বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হলো অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩ অধ্যাদেশ
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। এগুলো পর্যালোচনা করে আগামী ২ এপ্রিলের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
রোববার (১৫ মার্চ) জাতীয় সংসদে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান অধ্যাদেশগুলো বিশেষ কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব করেন। পরে অধ্যাদেশগুলো বিশেষ কমটিতে পাঠানো হয়। এর আগে প্রথম বৈঠকে অধ্যাদেশগুলো সংসদে তুলেছিলেন আইনমন্ত্রী। ওইদিনই অধ্যাদেশগুলো বাছাইয়ে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছিল।
বিএনপি দলীয় সদস্য জয়নাল আবদিনকে সভাপতি করে ১৪ সদস্য বিশিষ্ট বিশেষ কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন— মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমদ, সালাহউদ্দিন আহমদ, নূরুল ইসলাম মনি, আসাদুজ্জামান, ড. এম ওসমান ফারুক, এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, আব্দুল বারী, নওশাদ জমির, মুজিবুর রহমান, রফিকুল ইসলাম খান, জিএম নজরুল ইসলাম।
সংসদে সেদিন প্রস্তাবটি উত্থাপনের পর স্পিকার তা ভোটে দিলে সংসদ সদস্যদের কণ্ঠভোটে কমিটি গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।
সংসদে উত্থাপিত ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৪, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভা আইন সংশোধন-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ। এছাড়া শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট সংশোধন, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন সংশোধন এবং বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী সংশোধন-সংক্রান্ত অধ্যাদেশও রয়েছে।
তালিকায় আরও রয়েছে সরকারি চাকরি, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট, ব্যাংক, গ্রামীণ ব্যাংক, ভোটার তালিকা, স্থানীয় সরকার, জাতীয় সংসদের নির্বাচনি এলাকার সীমানা নির্ধারণ, রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল সংশোধন, সিভিল কোর্টস সংশোধন, কোড অব ক্রিমিনাল প্রোসিডিউর সংশোধন এবং ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস ট্রাইব্যুনাল সংশোধন-সংক্রান্ত একাধিক অধ্যাদেশ।
এ ছাড়া জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সংশ্লিষ্ট দুটি অধ্যাদেশও কার্যসূচিতে রয়েছে। সেগুলো হলো— জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি তহবিল অধ্যাদেশ ২০২৫ এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ ২০২৬।