বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্যের নতুন অঙ্গীকার বাড়বে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ

৩ নভেম্বর ২০২৬ - ০১:৩৯ পূর্বাহ্ণ
 0
বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্যের নতুন অঙ্গীকার বাড়বে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ

বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর অঙ্গীকার

বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং বহুপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের এক বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অগ্রগতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশের পাশাপাশি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে একমত হয়েছেন উভয় পক্ষ।

সোমবার (২ নভেম্বর) রাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার সেন্ট জনসে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর সরকারপ্রধানদের সম্মেলন সিএইচওজিএমের ফাঁকে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এবং যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ডের মধ্যে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন দুই মন্ত্রী। এ সময় যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি পণ্যের শক্তিশালী রপ্তানি বাজার এবং বাংলাদেশে ব্রিটিশ বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থার জন্য এয়ারবাসের উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে বাংলাদেশের সম্মতিকেও স্বাগত জানায় উভয় পক্ষ। এ সিদ্ধান্ত দুই দেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এ ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন, নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল অভিবাসন এবং মানবিক সহায়তাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে একমত হন দুই মন্ত্রী। আন্তর্জাতিক ও বহুপক্ষীয় ফোরামগুলোতে পরস্পরকে সমর্থন দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়।

বৈঠকে মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গাকে মানবিক সহায়তা দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড। একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের জন্য যুক্তরাজ্যের মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন তিনি।

অন্যদিকে, ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন কবির প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

দুই দেশের এই বৈঠনের মধ্য দিয়ে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জলবায়ু পরিবর্তন, অভিবাসন ও রোহিঙ্গা সংকটসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।