আসিফ মাহমুদসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ৪ কোটি টাকার ঘুষের অভিযোগে প্রাথমিক সত্যতা!

২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ - ১৫:১০ অপরাহ্ণ
 0
আসিফ মাহমুদসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ৪ কোটি টাকার ঘুষের অভিযোগে প্রাথমিক সত্যতা!

আসিফ মাহমুদসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুদক

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা থাকাকালে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেনের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। একই সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ, বদলি, পদায়ন ও কেনাকাটায় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগও অনুসন্ধান করছে সংস্থাটি।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন দুদকের মুখপাত্র আকতারুল ইসলাম।

দুদক জানিয়েছে, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ১৮৮ কর্মকর্তার বদলির ঘটনায় আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে অর্থ লেনদেনের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রায় ২০০ উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ও উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদোন্নতি এবং পছন্দের কর্মস্থলে পদায়নের জন্য ৪ কোটি টাকার বেশি ঘুষ নেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ সংশ্লিষ্ট অন্য তিনজন হলেন—তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব ড. শেখ মোহাম্মদ জুবায়েদ হোসেন এবং উপসচিব মো. মাসুম আহমেদ।

দুদক সূত্র জানায়, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ, বদলি, পদায়ন ও কেনাকাটাকে কেন্দ্র করে অনিয়ম-দুর্নীতির বিভিন্ন অভিযোগ জমা পড়ে। এসব অভিযোগের প্রাথমিক অনুসন্ধানে ১৮৮ কর্মকর্তাকে বদলির ঘটনায় অর্থ লেনদেনের সঙ্গে আসিফ মাহমুদের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ, বদলি ও কেনাকাটায় একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অনিয়মের অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অভিযোগগুলো অনুসন্ধানে চার সদস্যের একটি দল গঠন করেছে দুদক। দলের প্রধান করা হয়েছে সংস্থাটির উপপরিচালক জাহিদ কালামকে।

এর আগে আসিফ মাহমুদের সাবেক সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধেও তদবির-বাণিজ্য ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান করেছিল দুদক। প্রায় ১১ মাস অনুসন্ধানের পর গত ফেব্রুয়ারিতে তাকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

বর্তমানে আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ, বদলি, পদায়ন ও কেনাকাটাসহ সংশ্লিষ্ট অভিযোগগুলোর অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধান শেষে অভিযোগের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে দুদক।