কোথায় বা কখন আটকানো হতে পারে, আগেভাগে বলা কঠিন: শহিদুল আলম

৫ অক্টোবর ২০২৫ - ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ণ
 0
কোথায় বা কখন আটকানো হতে পারে, আগেভাগে বলা কঠিন: শহিদুল আলম

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় আজ রোববারই জাহাজটি পৌঁছানোর কথা থাকলেও যাত্রায় বিলম্ব হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দৃক ফটো এজেন্সির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও আলোকচিত্রী শহিদুল আলম। ছোট নৌযানগুলোর সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে গতি কমানোয় এই বিলম্ব হবে বলে জানান তিনি। একইসঙ্গে কোথায় কিংবা কখন তাদের আটকানো হতে পারে, তা আগে থেকে অনুমান করা কঠিন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

রোববার বাংলাদেশ সময় বেলা ১১টার পর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি বর্তমান পরিস্থিতির কথা জানান। পোস্টে শহিদুল আলম লিখেছেন,

“শান্ত সমুদ্র আর উজ্জ্বল রোদ। গত রাতটা খোলা ডেকে ঘুমিয়েছি আমি। আজ আমাদের গাজায় পৌঁছানোর কথা ছিল। কিন্তু ছোট নৌকাগুলোর সঙ্গে থাকতে গতি কমানো হয়েছে, তাই আরও দেরি হবে। তবে বিপদের এলাকা অনেক আগেই শুরু হয়, আর কোথায় বা কখন আমাদের আটকানো হতে পারে, তা আগেভাগে বলা কঠিন।”

শহিদুল আলম বর্তমানে ‘কনশানস’ নামের জাহাজে অবস্থান করছেন। এটি আন্তর্জাতিক উদ্যোগ ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন (FFC)থাউজেন্ড ম্যাডলিনস টু গাজা (TMTG)-এর বহরের একটি অংশ। এই নৌবহর ইসরায়েলের অবরোধ অতিক্রম করে গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার বৈশ্বিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে যাত্রা করছে।

তিনি জানান, বহরের সবচেয়ে বড় জাহাজ কনশানস ইতালি থেকে গত ৩০ সেপ্টেম্বর সর্বশেষ রওনা দেয়। তবে এর উচ্চ গতির কারণে আগে রওনা দেওয়া আটটি নৌযানকে এটি অতিক্রম করেছে। বহরে আরও দুটি ছোট নৌযান ছিল, তবে সেগুলোর বর্তমান অবস্থান এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।

গত দুই বছর ধরে ইসরায়েল বিদেশি সাংবাদিকদের গাজায় প্রবেশে বাধা দিয়ে আসছে। একই সময়ে ইসরায়েলি বাহিনী নিয়মিতভাবে ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের লক্ষ্যবস্তু করছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত ২৭০ জনেরও বেশি সাংবাদিক নিহত হয়েছেন, আরও অনেকে আটক হয়ে কারাবন্দী আছেন।