সারাদেশে অবৈধ মজুতকৃত পৌনে ৪ লাখ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার: জ্বালানি বিভাগ
এপ্রিল মাসে দেশে কোনো জ্বালানি সংকট নেই জানিয়ে তিনি বলেন, দেশে বছরে ডিজেলের চাহিদা ৩ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন। অকটেন এবং পেট্রল মাসে দরকার হয় ৭০ হাজার মেট্রিক টন। পেট্রল এবং অকটেনের পর্যাপ্ত মজুত আছে। কোনো সংকট নেই। কোনো সংকট নেই ডিজেলের ক্ষেত্রেও। এপ্রিল মাস পুরোপুরি নিরাপদ আছি।
তিনি আরও বলেন, প্যানিক বায়িং এখনও বন্ধ হয়নি, যার প্রভাব পড়ছে পেট্রল পাম্পে। মজুতের প্রবণতাও আছে। যথা নিয়মে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। পরিশোধিত জ্বালানি তেল যথাযথ পরিমাণে আছে।
ইরান যে ৬টি জাহাজ হরমুজ প্রণালি দিয়ে ছেড়েছে তারমধ্যে একটি অপরিশোধিত তেলের জাহাজ রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ইস্টার্ণ রিফাইনারি অপরিশোধিত তেল পরিশোধন করা হয়। ক্রুড অয়েল নিয়ে একটি জাহাজ আসছে। সেটি এলে রিফাইনারিতে কোনো সমস্যা হবে না।
মজুতের প্রবণতা পরিহার করলে জ্বালানির কোনো সংকট থাকবে না বলেও জানান মনির হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, প্রত্যেক নাগরিকের এই সময়ে এসে জ্বালানি সাশ্রয় করে জাতিকে রক্ষা করা উচিত। এই সরকার জনগণের সরকার। তাই জনগণের কথা চিন্তা করেই সরকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায়নি।
তিনি জানান, ইলেকট্রিসিটির জন্য বিদ্যুৎ বিভাগকে প্রয়োজনীয় গ্যাস সরবরাহ করা হবে। তবে রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল আনার জন্য "স্যাংশন ওয়েভার" নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে পাঠানো চিঠির জবাব এখনও পাওয়া যায়নি বলেও জানিয়েছেন এই কর্মকর্তা।