ছোটবেলার মতো ঈদের আনন্দ বড় হলে পাওয়া যায় না : জায়েদ খান
ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত চিত্রনায়ক জায়েদ খান প্রায় দুই বছর ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অবস্থান করছেন। আগে থেকে স্টেজ শো করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশে যাওয়া-আসা তার। কিন্তু ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর মামলায় অভিযুক্ত করায় আর দেশে ফেরা হয়নি। তারপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রেই থাকছেন এবং সেখানে একটি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে শোবিজ তারকাদের নিয়ে কাজ করছেন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাবেক এ সাধারণ সম্পাদক।
আগে যখন দেশে ছিলাম, শিল্পী সমিতির দায়িত্বে থাকা অবস্থায় সদস্যদের কাছে উপহার পৌঁছে দেয়া আমার কাছে অলিখিত এক রীতি হয়ে গিয়েছিল। সংগঠনের দায়িত্বে না থাকার পরও এই রীতি নিজের মধ্যে রপ্ত ছিল আমার। সামর্থ্য অনুযায়ী সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়ার। ঈদের দিন বিএফডিসিতে সবাই আসতেন, তাদের সঙ্গে দেখা করা, গল্প করা সবই এখন মিস করি। ঈদের আগ মুহূর্তে বা পরে গ্রামের বাড়িতে যেতাম আমি। সেখানে মসজিদে নামাজ পড়া বা গ্রামে ঈদ করলে নামাজ শেষে মা-বাবার কবর জিয়ারত না করা পর্যন্ত মনে শান্তি পেতাম না।

ঈদের স্মৃতি নিয়ে আলাপচারিতার ফাঁকে জানালেন, ঈদের দিন সালামি দেয়া-নেয়া অন্যরকম ভালোলাগা কাজ করে তার মধ্যে। যা এখন দূর প্রবাসে বসে মনে করেন তিনি। বলেন, ঈদের দিন পরিবারের সদস্য যেমন, ভাতিজা-ভাগনেসহ যারা আছে, তাদের সালামি দিতাম। আবার আমি নিজেও সালামি পেতাম। সালামি পেতে কার না ভালো লাগে, হোক না বড় হয়েছি; তো কী হয়েছি। পরিবারে ভাই-বোনের মধ্যে সবার ছোট থাকায় সালামি পেতাম।

আগে ঈদের সময় খুশিতে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়িয়েছি। বিকেল হলে সিনেমা হলে ছুটে যেতাম, সিনেমা দেখার জন্য। কিন্তু এখানে চাইলেও সেটি সম্ভব হয়ে উঠে না। এখন আর সেই আনন্দ নেই বললেই চলে। মূলত, ছোটবেলার মতো ঈদের আনন্দ বড় হওয়ার পর পাওয়া যায় না। তবে এখানে নেটফ্লিক্সে বিভিন্ন সিনেমা দেখা হয়। দেশের যেসব শিল্পীরা এখানে আছেন, তাদের সঙ্গে কথা হয়, গল্প হয়—এভাবেই দিন কেটে যায়।