জমে উঠেছে ঈদের বাজার বিপণিবিতান গুলোতে নারীদের ভিড় সবচেয়ে বেশি
রোজার মাঝামাঝি সময়ে রাজধানীর বিভিন্ন মার্কেট ও শপিংমলে ক্রেতাদের ভিড় বেড়ে গেছে। শুক্রবার (৬ মার্চ) সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স, ধানমন্ডি, ঝিগাতলা রাইফেলস স্কয়ারের বাজারগুলোতে দেখা গেছে উপচে পড়া ক্রেতা সমাগম। ছোট-বড়, নানা বয়সের মানুষ ঈদের কেনাকাটায় ব্যস্ত ছিলেন।
বিক্রেতারা বলেন, ঈদের কেনাকাটায় নারীদের আগ্রহ সবসময়ই বেশি থাকে। পরিবারের সবার পোশাক কেনার দায়িত্ব অনেক সময়ই নারীদের থাকে। নতুন ডিজাইন ও ফ্যাশনের পোশাক দেখা এবং পছন্দমতো কেনার কারণে নারীরা দোকানে দীর্ঘ সময় থাকেন।
ঈদের শপিং করতে আসা নওরিন জানান, ঈদে নতুন পোশাক পরার আনন্দ আলাদা। নতুন পোশাক পরা, দাওয়াতে যাওয়া সবকিছুতেই একটু সময় লাগছে। তবে ভিড়ের কারণে অনেক সময় কেনাকাটায় কিছুটা ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। এখন পর্যন্ত দুইটি মার্কেট ঘুরে মাত্র একটি জামা কিনতে পেরেছি। পোশাক কেনা শেষ হলে কসমেটিকসের দোকানেও যেতে হবে।
আরেকজন ক্রেতা তনিমা শাহনাজ বলেন, কেনাকাটা আগে শুরু করলেও বাজারে নারীদের পোশাকের দোকানগুলোতে ভিড় বেশি। ট্রায়াল রুমে দীর্ঘ লাইন, সিরিয়াল ধরে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এবার আরও কয়েকটি মার্কেট ঘুরতে হবে।
অপর ক্রেতা রাইয়ান বলেন, একটি পাঞ্জাবি ও একটি প্যান্ট কিনলেই হবে। তবে মার্কেটে এসে দেখি মেয়েদের দোকানগুলোতে ভিড় এত বেশি যে হাঁটতেও সমস্যা হচ্ছে। ঈদ এখনও অনেক বাকি, ভিড় আরও বাড়বে বলে মনে হচ্ছে।
রাইফেলস স্কয়ারের একজন ব্যবসায়ী জানান, ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ক্রেতাদের ভিড় তত বাড়ছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর এবং ছুটির দিনে মার্কেটগুলো উপচে পড়া ভিড়ে পূর্ণ থাকে। আশা করছি, ঈদকে কেন্দ্র করে ব্যবসা ভালো হবে।
আরেকজন ব্যবসায়ী বলেন, সন্ধ্যার পর ভিড় বেশি, কিন্তু ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের দোকানগুলোতে ভিড় বেশি। এখনো পুরো বেচাকেনা শুরু হয়নি, তবে আশা করছি দুয়েক দিনের মধ্যে ভালো বিক্রি শুরু হবে।
ঈদে ক্রেতারা ভিনদেশি সালোয়ার কামিজ, পাঞ্জাবি এবং দেশীয় সুতি পোশাকের দিকে বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছেন। গরমের কথা মাথায় রেখে আরামদায়ক পোশাক বেছে নিচ্ছেন অনেকে। ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, গত বছরের তুলনায় এবার বেশি বিক্রি হবে।