অনলাইন ক্লাসের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আজ
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে দেশের বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ক্লাসের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে রোববার (৫ এপ্রিল)।
পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতরসহ বিভিন্ন উপলক্ষে প্রায় ৪০ দিনের ছুটির পর গত রোববার (২৯ মার্চ) থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলেছে। এর মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সংকটে পড়েছে বাংলাদেশসহ অনেক দেশ। এ পরিস্থিতিতে জ্বালানির ওপর চাপ কমাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আংশিক অনলাইন পাঠদান চালুর বিষয়টি সামনে এসেছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে সপ্তাহে এক দিন অনলাইন ক্লাসের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। তবে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে বৃহস্পতিবার বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আলাদা নির্দেশনা দেবে। কারণ, এ বিষয়ে কিছু ক্ষেত্রে আলোচনার দরকার আছে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় রোববার থেকে স্কুল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান-সংক্রান্ত আলাদা নির্দেশনা দেয়া শুরু করবে।
এদিকে সব সরকারি-বেসরকারি অফিসের নতুন সময়সীমা নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। রোববার থেকে নতুন সূচিতে চলবে অফিস।
উপসচিব ফরিদা ইয়াসমিনের সই করা ওই প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সপ্তাহে রোববার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এছাড়া শুক্র ও শনিবার (২ দিন) সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে। রোববার থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এই সময়সূচিতে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি অফিস চলবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ রয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জরুরি পরিষেবাগুলো নতুন অফিস সময়সূচির আওতার বাইরে থাকবে। পাশাপাশি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের শনিবারের পত্রের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সময়সূচি সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা এবং ব্যাংকিং সেবা সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত নির্ধারণের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
এতে আরও বলা হয়, আদালতের অফিস সময়সূচি নির্ধারণে সুপ্রিম কোর্ট প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে। সেই সঙ্গে বেসরকারি খাতের শিল্প-প্রতিষ্ঠান/কল-কারখানা ও প্রতিষ্ঠানের জন্য কর্মঘণ্টা নির্ধারণের ক্ষেত্রে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ রয়েছে।