সোমবার যশোর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, শার্শায় সাজ সাজ রব
আগামীকাল যশোর সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাবার স্মৃতিবিজড়িত উলাশী খাল পুনঃখনন এবং ৫০০ শয্যার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মধ্য দিয়ে এই সফরকে ঘিরে জেলাজুড়ে তৈরি হয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। সরকার গঠনের পর এটিই তার প্রথম যশোর সফর।
একই দিনে যশোরবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্নের ৫০০ শয্যার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এতে স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, যশোরের বিদ্যমান করোনারি কেয়ার ইউনিটকে পূর্ণাঙ্গ কার্ডিয়াক চিকিৎসা কেন্দ্রে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি যুবসমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নয়াপাড়া নৌ বন্দরের নাব্যতা সংকট নিরসন এবং এর কার্যক্রম পুনরুজ্জীবনের দাবিও জানিয়েছেন তারা।
এছাড়া যশোরকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করা, আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর নির্মাণ এবং যশোর এমএম কলেজে একটি আধুনিক অডিটোরিয়াম প্রতিষ্ঠার দাবিও উঠে এসেছে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে জেলাজুড়ে বইছে উৎসবের আমেজ। প্রধান সড়কজুড়ে ব্যানার-ফেস্টুন, চলছে মঞ্চ প্রস্তুতির কাজ। লাখো মানুষ অপেক্ষায় আছেন তাকে একনজর দেখার জন্য।
আয়োজকরা জানান, বিএনপি চেয়ারপারসন হিসেবে তারেক রহমানের এই সফরকে ঘিরে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতির কাজ প্রায় শেষ।
সফরের অংশ হিসেবে তিনি যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি পরিদর্শন করবেন এবং বিকেল তিনটায় জেলা বিএনপির আয়োজিত জনসভায় যোগ দেবেন।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে আমরা যশোরের উন্নয়নের চাকাকে আবার সচল করতে চাই।
জেলা বিএনপি সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু আশা প্রকাশ করে বলেন, এই সফরের মাধ্যমে যশোরের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন কার্যক্রম নতুন গতি পাবে।
প্রধানমন্ত্রীর এই আগমনের মাধ্যমে থমকে যাওয়া যশোরের উন্নয়নের চাকা নতুন করে সচল হবে এমনটাই প্রত্যাশা দলীয় নেতাকর্মীদের।