সৌদির সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরে অর্ধশত গ্রামে ঈদ উদযাপন

২০ মার্চ ২০২৬ - ০৭:১৮ পূর্বাহ্ণ
 0
সৌদির সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরে অর্ধশত গ্রামে ঈদ উদযাপন

সারাদেশে যখন ঈদের প্রস্তুতি চলছে, তখন সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে চাদপুরের অর্ধশতাধিক গ্রামে আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে এসব গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ এদিন ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিচ্ছেন।

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৯টায় হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা দরবার শরীফে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন দরবারের বর্তমান পীর মুফতি জাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানী। তিনি জানান, বিশ্বের যেকোনো স্থানে চাঁদ দেখা যাওয়ার ভিত্তিতে দীর্ঘদিন ধরে এসব গ্রামের মানুষ রোজা ও ঈদ পালন করে আসছেন। তাদের দাবি, আন্তর্জাতিক চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করেই তারা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেন।

আগাম ঈদ উদযাপনকারী গ্রামগুলোর মধ্যে রয়েছে- হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, প্রতাপুর ও বাসারা; ফরিদগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উভারামপুর, উটতলি, মুন্সিরহাট, কাইতাড়া, মূলপাড়া, বদরপুর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, নূরপুর, সাচনমেঘ, শোল্লা, হাঁসা ও গোবিন্দপুর; মতলব উপজেলার দশানী, মোহনপুর, পাঁচানীসহ কচুয়া ও শাহরাস্তি উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রাম।

সাদ্রা গ্রামের বাসিন্দা মো. জয়নাল আবেদীন জানান, ১৯২৮ সাল থেকে প্রথম চাঁদ দেখার ভিত্তিতে ধর্মীয় রীতিনীতি চালু করেন সাদ্রা দরবার শরীফের মরহুম পীর আল্লামা মোহাম্মদ ইসহাক চৌধুরী। তার মৃত্যুর পর তার ছয় ছেলে এ মতবাদ অনুসরণ ও প্রচার অব্যাহত রেখেছেন।প্রতিবছরই সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের এসব গ্রামে আগাম ঈদ উদযাপন করা হয়, যা স্থানীয়ভাবে একটি ভিন্নধর্মী ধর্মীয় চর্চা হিসেবে পরিচিত।