নির্বাচন ও গণভোট স্থগিতের বিষয়ে অপপ্রচারে কান না দেয়ার আহ্বান ইসির

৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ - ১১:০৯ পূর্বাহ্ণ
 0
নির্বাচন ও গণভোট স্থগিতের বিষয়ে অপপ্রচারে কান না দেয়ার আহ্বান ইসির

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট স্থগিত করা হয়েছে এমন অপপ্রচারে কান না দেয়ার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ শাখা থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানানো হয়।

এতে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ আসন্ন গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত হওয়ার বিষয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। এ বিষয়ে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য হলো- আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) ২৯৯টি সংসদীয় আসনে (শেরপুর-৩ ব্যতীত) জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। আসন্ন গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত-বিষয়ক অপপ্রচারে কান না দেয়ার জন্য নির্বাচন কমিশন দেশবাসীকে অনুরোধ জানাচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত গভীর রাতে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যু হয়। তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারিও ছিলেন। জামায়াতে ইসলামীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেয়া এক পোস্টে ওইদিন নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। এরপর ৪ ফেব্রুয়ারি এক গণবিজ্ঞপ্তিতে তার মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত করে ইসি।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১৭(১) উপধারায় বলা হয়েছে, যদি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়সীমা পার হওয়ার পর এবং ভোটগ্রহণের আগে কোনো বৈধভাবে মনোনীত প্রার্থী মৃত্যুবরণ করেন, তবে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচনি কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল বা স্থগিত করতে হবে।

আইন অনুযায়ী, এ ক্ষেত্রে প্রার্থীকে অবশ্যই নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ‘বৈধ প্রার্থী’ হিসেবে স্বীকৃত হতে হবে। প্রার্থীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা একটি গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ওই আসনের নির্বাচনি কার্যক্রম বাতিলের ঘোষণা দেবেন এবং পরবর্তী সময়ে কমিশন নতুন তফসিল ঘোষণা করবে।

তবে আইনে কিছু বিশেষ ব্যতিক্রমও রয়েছে। যদি মৃত ব্যক্তি বৈধ প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত হওয়ার আগেই মারা যান অথবা ওই আসনে একই দলের বিকল্প কোনো বৈধ প্রার্থী বিদ্যমান থাকে, তবে নির্বাচন স্থগিত করার প্রয়োজন পড়ে না।