সংগ্রামী আম্বিয়া খাতুনকে ভুলে যাননি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর আলোচিত পুলিশ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হন ছাত্রদলের বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আমানউল্লাহ আমান। তাকে ধরতে না পেরে তার আপন বড় ভাই শহীদুল্লাহ মুসুল্লিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট। পরবর্তীতে গ্রেপ্তার হন আমানও। আলোচিত সেই মামলায় যখন আমানকে বার বার পুলিশ রিমান্ডে নেয় এবং পৈশাচিক নির্যাতন করে তখন প্রায় নিয়মিত আমানের মায়ের সাথে লন্ডন থেকে ফোনে কথা বলতেন তারেক রহমান।
পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে আজ তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। গত কয়েকদিন ধরে ছাত্রনেতা আমানের মা গুরুতর অসুস্থ হয়ে ঢাকার মিরপুরের ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে ভর্তি। শুরু থেকেই দুঃসময়ের সংগ্রামী মা আম্বিয়া খাতুনের খোঁজ-খবর রাখছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী চিকিৎসক ডা. মনোয়ারুল কাদির বিটু প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের এসে আম্বিয়া খাতুনের চিকিৎসার অগ্রগতির খোঁজ-খবর নিয়েছেন। এ সময় তিনি আমানের মায়ের চিকিৎসায় কর্তব্যরত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। ডা. বিটু আমান ও তার পরিবারের প্রতি গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করেন এবং তার মায়ের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।
ডা. বিটু'র সাথে এ সময় ডা. রাশেদুল হাসান রিপন, ডা. শাহ মো. সামিউর রহমান, ডা. মো. মাহমুদ আলী বাবু, ডা. মো. হাফিজুর রহমানসহ আমানউল্লাহ আমান এবং তার বড় ভাই শহীদুল্লাহ মুসুল্লি উপস্থিত ছিলেন।